كنـــــايــــــة وأقسامها
الكناية –
কোন শব্দকে ব্যবহার করে তার দ্বারা তার সম্পর্কিত অর্থকে উদ্দেশ্য করা। তবে এক্ষেত্রে প্রকৃত অর্থও নেওয়া বৈধ। এই প্রক্রিয়াকে كناية বলে। আর যার প্রতি ইঙ্গিত করা হয় তাকে المكني عنه বলা হয়।
المكني عنه –এর দৃষ্টিকোণ থেকে الكناية –কে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা— (ক) كناية عن الصفة (খ)كناية عن موصوف (গ) كناية عن النسبة
كناية عن الصفة –
যে কেনাইয়াতে কোন গুণের প্রতি ইঙ্গিত করা। যেমন—
فلانة بعيدة مهوى القرط
অমুক মহিলা দীর্ঘ গ্রীবা বিশিষ্টা বা অমুক মহিলার কানের লতি ও কাঁধের মাঝে বিশাল দূরত্ব।
مهوى القرط কানের লতি হতে কাঁধ পর্যন্ত দূরত্বকে বলা হয়। এর দূরত্ব মানে গ্রীবার লম্বা হওয়া অপরিহার্য। তাই এক্ষেত্রে طويلة الجيد বলার পরিবর্তে এক নতুন ও অভিনব পদ্ধতিতে তা ব্যক্ত করা হল।
كناية عن موصوف –
যে কেনাইয়াতে কোন গুণান্বিত বস্তুর প্রতি ইঙ্গিত করা। যেমন—
ع- وجدت فيك بنت عدنان داراً
তোমার মাঝে আদ্নান তনয়া নিজ আবাস খুঁজে পেয়েছে।
কবি বলতে চেয়েছেন, আরবী ভাষা তোমার মধ্যে নিজ গৃহ খুঁজে পেয়েছে। তবে তিনি স্পষ্টভাবে আরবী ভাষার উল্যেখ না করে بنت عدنان আদ্নান তনয়া বলে তার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
كناية عن النسبة –
যে কেনাইয়াতে কোন সম্পৃক্ত বস্তুর প্রতি ইঙ্গিত করা। যেমন—
المجد بين ثوبك
মর্যাদা তোমার উত্তরীয়র মাঝে রয়েছে।
আলোচ্য উদাহরণটিতে সম্বোধিত ব্যক্তির সঙ্গে মর্যাদাকে সম্পৃক্ত করার ইচ্ছা করা হয়েছে। তবে তা সরাসরি সম্পৃক্ত না করে সম্বোধিত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট বস্তু তার উত্তরীয় বা বস্ত্রাদির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে; আর তাই الثوب অর্থাৎ কাপড় শব্দটি ব্যবহার করে بين ثوبك তোমার কাপড়ের মাঝে আছে বলা হয়েছে।
আরবি অলঙ্কারশাস্ত্র। ইল্মুল্ বালাগাহ্। আল-কিনাইয়াহ্। রূপকালংকার। রূপক

No comments:
Post a Comment